ZH-University

বাংলারশিক্ষা:
বাঙালির ইতিহাসে ১০ই জানুয়ারী একটি ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭২ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হানাদার পাকিস্তানীদের কারাগার থেকে মুক্তির পর দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। আবার ২০২০ সালটাও বাংলার স্বাধীনতার রুপকার বঙ্গবন্ধুর জন্মবর্ষ। এ উপলক্ষ্যে আজ সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা অনুষ্ঠান পালিত হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতাই শরীয়তপুরের জেড. এইচ. সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যালি ও কেক কাটার মাধ্যমে মুজিববর্ষ ক্ষনগণনা উদযাপন করা হয়।

দুপুর ০১:৪১ মিনিট ২১ সেকেন্ডে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভ উদ্বোধনের পরপরই অনুষ্ঠানে শুভ সূচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. আমিনুল হক ভূইয়া। এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন এবং আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. এমরান পারভেজ খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ইংরেজী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. মারুফ হোসেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিজানুজ্জামান, সহকারী প্রক্টর ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক মোসা. রাশিদা করিম, সহকারী রেজিস্ট্রার খন্দকার তাহমিনা নিষাদ এলিন, মকফরউদ্দিন সিকদার ছাত্র হল এর প্রভোষ্ট (ভারপ্রাপ্ত) মো. মহিউদ্দিন, মনোয়ারা সিকদার ছাত্রী হল এর প্রভোষ্ট (ভারপ্রাপ্ত) আয়েশা তাজরিন সহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানসহ অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষ অমর হোক এবং বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ ফেরা বাঙালির নবযাত্রা স্লোগানে র‌্যালি শুরু হয়ে তা বাদামতলা হয়ে বঙ্গবন্ধু চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে কেক কেটে অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়।

অতপর বিকাল ৩:০০টায় জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে এক আনন্দমুখর পরিবেশে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. আমিনুল হক ভূইয়া। মূল বক্তা ছিলেন জনাব এমরান পারভেজ খান, বিশেষ বক্তাদ্বয় জনাব মোঃ মিজানুজ্জামান এবং জনাব রাশিদা করিম। অন্যান্য সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ এবং কর্মকর্তাগন আলোচনায় অংশগ্রহন করে জাতির পিতার বর্নাঢ্য জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন আইন বিভাগের প্রভাষক মো. সাইফুজ্জামান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সোনার বাংলা গড়ার জন্য সবাই যার যার অবস্থান থেকে অংশগ্রহন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। (প্রেসবিজ্ঞপ্তি)