Kalkini-Education-Officer_M
মো. মাহাবুবর রহমান

রফিকুল ইসলাম মিন্টু, কালকিনি, বাংলারশিক্ষা:
সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার সত্ত্বেও নিয়মিত অফিস ও কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত যোগদান করার অভিযোগ উঠেছে কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহাবুবর রহমানের বিরুদ্ধে। গত ২৯ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে স্ত্রীর দায়ের করা নারী নির্যতন মামলায় জেলে যাওয়ার কারণে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মাহাবুবর রহমান সাময়িকভাবে বরখাস্ত হন।

একাধিক সূত্রে জানা যায়, বরখাস্তকৃত মাধ্যমিক কর্মকর্তা মো.মাহাবুবর রহমান নিয়ম বর্হিভূর্তভাবে বেতনের সম্পূর্ণ অংশ উত্তোলন করায় তার বেতন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এছাড়া তিনি অফিসের কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত থাকেন এবং ফাইলপত্রে স্বাক্ষর করেন। অপরদিকে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সত্ত্বেও মাধ্যমিক কর্মকর্তা মো. মাহাবুবর রহমান পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন করেছেন এবং আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষার যাবতীয় কাজ সম্পাদন করাসহ পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করবেন বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রধান শিক্ষক বলেন, কালকিনিতে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস বলতে কোন অফিস আছে বলে আমার মনে হয় না। বরখাস্ত হওয়ার পরও কিভাবে অফিস করেন। এটা কোন ধরনের বরখাস্ত যে সে নিয়মিত অফিসিয়াল কাজ করেন এবং তাতে স্বাক্ষর করেন।

বরখাস্ত অবস্থায় কিভাবে অফিসের কার্যক্রম করছেন জানতে চাইলে এ ব্যাপারে শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, বিষয়টি কর্তৃপক্ষ জানেন। এছাড়া উপজেলা ও জেলার সকল অফিসারও জানেন। এছাড়া পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার দায়িত্বের বিষয়ে তিনি বলেন কর্তৃপক্ষ আমাকে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে তারা যে সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

এ ব্যাপারে মাদারীপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র দাস বলেন, আমাদের কালকিনি উপজেলার শিক্ষা অফিসে যে দুই একজন রয়েছে তাদের দিয়ে শিক্ষা অফিস চালানো অসম্ভব না। তাই সাময়িক বরখাস্ত অফিসারকে দিয়ে অফিসিয়াল কাজ করানো হচ্ছে। তবে তাকে দিয়ে কোন আর্থিক লেনদেনের কাগজে স্বাক্ষর করানো হয় না।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আজাহারুল ইসলাম বলেন, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কোন অফিসার অফিসিয়াল কোন কাজ করতে পারেন না। তবে সে প্রতিদিন অফিসে এসে হাজিরা দিবেন। আমি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবো।