বাংলারশিক্ষা:
সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে মাদারীপুরের ৪ উপজেলার ৩০ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ সুরেশ্বরী মুরিদানরা শুক্রবার (৩১ জুলাই) পবিত্র ঈদ-উল-আযহার ঈদ উদযাপন করছেন। তবে করোনার কারণে সরকারি নির্দেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবার এলাকার তিনটি মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা গেছে, প্রায় দেড়’শ বছর পূর্ব থেকে বাংলাদেশে সুরেশ্বর দরবার শরীফের মুরিদানারা সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ-উল-আযহা উদযাপন করে আসছেন। সে হিসেবে মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের চরকালিকাপুর, মহিষেরচর, পূর্ব পাঁচখোলা, জাজিরা, কাতলা, তাল্লুক, খোয়াজপুর ইউনিয়নের চরগোবিন্দপুর, পখিরা, খোয়াজপুর, কুনিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর, কালিকাপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর, হোসনাবাদ, ছিলারচর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর, আংগুলকাটা, হাজামবাড়ী, কালকিনি উপজেলার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের আন্ডারচর, কয়ারিয়া, রামারপুল ও শিবচর উপজেলার বাহেরচর, কেরানীরবাটসহ ৩০ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ঈদ-উল-আযহা উদযাপন করছেন। শুক্রবার সকালে ঈদের নামাজ শেষে পশু কোরবানীর মাধ্যমে ঈদ-উল-আযহার আনুষ্ঠানিকতা পালন করছেন।

সুরেশ্বর পীরের ভক্ত সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও তাল্লুক গ্রামের আলী আহম্মদ ফকির বলেন, ‘ইসলাম ধর্মের সবকিছুই সৌদি আরবের মক্কা শরীফ হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। তাই সুরেশ্বর দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা শাহ্ সুরেশ্বরী (রহঃ) এর অনুসারীরা ১৫০ বৎসর পূর্ব থেকে সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখেন এবং ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ উল আযহা পালন করে আসছেন। সে হিসেবে আজ আমরা কোরবানীর ঈদ উদযাপন করছে।