বাংলারশিক্ষা, শিবচর প্রতিনিধি: ‘আমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাই। মানুষের সেবা করতে চাই।’ পিএসসিতে শিবচর উপজেলার শিরুয়াইল ইউনিয়নের সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ও জিপিএ ৫ পাওয়া মালিহা তাসনিম দিয়ামনির স্বপ্নই এটা।
শিবচর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার শিরুয়াইল ইউনিয়নের উৎরাইল গ্রামের শিক্ষক পিতা-মাতার সন্তান মালিহা তাসনিম দিয়ামনি তার ইউনিয়নের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর হচ্ছে ৫৭৯। বৃত্তিপ্রাপ্তির পাশাপাশি শিবচর উপজেলার সর্বোচ্চ মেধাবী শিক্ষার্থীদের তালিকায় তার নাম থাকবে বলে আশাবাদী সে।
জানতে চাইলে দিয়ামনি জানায়, ‘আমি আশাবাদী ছিলাম, ভালো ফলাফল হবে। আমার ভালো ফলাফলের পেছনে বাবা-মা ও আমার শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম রয়েছে। বিশেষ করে আমার আম্মু-আব্বু সবসময় আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। তাদের অনুপ্রেরনায় আমার এই প্রাপ্তি।’
ডাক্তার হতে চাওয়ার প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় একটা গল্প পড়েছিলাম। সেখানে গ্রামে একজন ডাক্তারের প্রয়োজনীয়তার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেই থেকেই আমার ইচ্ছা ডাক্তার হওয়া।’
দিয়ামনির মা স্কুল শিক্ষিকা আছমা খাতুন বলেন, ‘মেয়েকে সব সময় ভালো কিছু করার জন্য প্রেরণা দিয়েছি। ওর মধ্যেও ভালো রেজাল্ট করার প্রবণতা ছিল। তেমনভাবে চাপও দেয়া লাগেনি। আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করবো ওর ইচ্ছা পূরণে সহযোগিতা করতে।’
লেখাপড়ার পাশাপাশি মালিহা তাসনিম দিয়া বই পড়তে ভালোবাসে। খেলাধুলার মধ্যে ব্যাডমিন্টন প্রিয়। এছাড়াও শিক্ষামূলক কার্টুন দেখতে পছন্দ করে।
মালিহা তাসনিম দিয়া শিবচর উপজেলার শিরুয়াইল ইউনিয়নের উৎরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছেন। তার বাবা মো. মহসিন মিয়া স্থানীয় উৎরাইল মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক ও মাতা আছমা খাতুন উৎরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা।